কুমিল্লায় ভিশন-২০২০ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা মহানগর ( কুমিল্লার খবর.কম ): গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লার চক্ষু বিষয়ক ‘জেলা ভিশন- ২০২০ কমিটি’র সভা অনুষ্টিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম সিদ্দিক।

সভায় মূল বক্তব্য তুলে ধরেন ভিশন-২০২০ কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো: মোহসিউর রহমান চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, বিশিষ্ট চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুস সাদাত পিলু, একুশে পদক প্রাপ্ত নারী নেত্রী ডা. যোবায়দা হান্নান, নারী নেত্রী পাপড়ি বোস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুজিব রাহমান, ডা. সাধন চন্দ্র পাল, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আবদুর রশিদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসএমও ডা.মো: আবদুর রহিম, আদর্শ সদরের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা ডা. হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল সহ বিভিন্ন উপজেলার ইউএইচএফপিও গণ। সভা উপস্থাপনা করেন তপন সেন গুপ্ত।


সভায় জানানো হয় কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় বিনামূলে চক্ষু অপারেশন হচ্ছে যা জনগণের অনেকেই জানেন না, এগুলো সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে। এ সকল (চক্ষু সেবা ও অপারেশনের) হাসপাতাল গুলো হচ্ছে- কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চক্ষু বিভাগ), কুমিল্লা রোটারী চক্ষু হাসপাতাল (জগন্নাথপুর), মিড টাউন চক্ষু হাসপাতাল (বাদুরতলা), ডায়াবেটিস হাসপাতাল (বাগিচাগাঁও), চক্ষু হসপিটাল (শংকর পুর, আলেখারচর, বিশ্বরোড, কুমিল্লা)। সভায় সিদ্ধান্ত হয় উপজেলা চক্ষু শিবির গুলোতে সরকারী বা বেসরকারী পর্যায়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞের উপস্থিত নিশ্চিত করা হবে। আলোচকগণ বলেন, কুমিল্লায় ২৫ জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, এর মধ্যে ১৫ জনই রয়েছেন প্রথম শ্রেণীর চক্ষু সার্জন,অথচ চক্ষু রোগ সম্পর্কে জনগণের উদাসীনতার কারণে চক্ষু রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে তেমন দেখা যায় না।


এ ব্যাপারে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম সিদ্দিক বলেন- কুমিল্লায় কম করে হলেও ৩ লাখ চক্ষু রোগী রয়েছে, এদের দৃষ্টি শক্তির ব্যাপারে সচেতন করে হাসপাতাল মুখী করতে পারলে বর্তমান সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে নূন্যতম খরচে বিশাল জনগোষ্ঠীর ‘দৃষ্টি সবার অধিকার’ সেবা নিশ্চিত করা যায়। এ ব্যাপারে এনজিও গুলো এগিয়ে আসায় তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন- জেলা তথ্য অফিস, ব্র্যাক অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা গণ, উপজেলা পরিষদ সভায় জনপ্রতিনিধি সহ সুধীজনদের অবহিত করে বিশাল সংখ্যক চক্ষু রোগীর দৃষ্টি সেবায় এগিয়ে আসতে পারেন,স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ কর্মীরা, ধর্মীয় নেতারা, সামাজিক নেতারা, এ ব্যাপারে এগিয়ে আসতে পারেন।


জেলা শিক্ষাকর্মকর্তা মো: আবদুর রশিদ বলেন- তিনি কুমিল্লা জেলার সকল শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের এ ব্যাপারে অবহিত করে পদক্ষেপ নিবেন। জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো: আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, ভিশন-২০২০ কমিটির ২১ জন সদস্য ২১টি জেলা পর্যায়ের বিভাগীয় নেতা, তারা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে চক্ষু রোগের প্রচারে পদক্ষেপ নিলে কয়েক হাজার লোক এ বিষয়ে অবহিত হতে পারে এবং কুমিল্লার সম্মানিত সাংবাদিক গণ মিডিয়ায় এই বিষয়ে প্রচারের ব্যবস্থা নিলে লক্ষ লক্ষ লোক চক্ষু রোগের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে অবহিত হতে পারে।


কুমিল্লার খবর.কম, ১৭-০৮-২০১১

Comments

comments