কুমিল্লার সংসদীয় আসনের সীমানা পুননির্ধারণে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া

কুমিল্লা( কুমিল্লার খবর.কম ): কুমিল্লায় ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৪টির সীমানা পুননির্ধারণ করা হয়েছে।সদর দক্ষিণ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এরমধ্যে কুমিল্লার ২টি সংসদীয় আসনে সীমানা পুননির্ধারণে ব্যাপক পরিবর্তন কার হয়েছে। বরুড়া উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৮।
সদর দক্ষিণ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১০ আসনে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়।
এছাড়া সামান্য পরিবর্তন করা হয় কুমিল্লা সদর উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৬ ও চান্দিনা উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৭ আসনে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে আগে ৮টি ইউনিয়ন ছিল কুমিল্লা-১০ নাঙ্গলকোটের সঙ্গে। বাকি ৬টি ছিল কুমিল্লা-৮ বরুড়ার সঙ্গে। আসন ২টিতে ব্যাপক পরিবর্তন করা হলেও শুধুমাত্র কুমিল্লার সদর দক্ষিণ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট আসনে সাবেক বিএনপি দলীয় সাংসদ আবদুল গফুর ভুঁইয়া ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে ভৌগলিক সীমানায় আসন বিন্যাস করা নিয়ে এমন পাগলামি আগে দেখিনি, সদর দক্ষিণ উপজেলাকে তিন ভাগ করে তিন আসনে বিন্যাস্ত করা হয়েছিল। পরে তা আবার একভাগ করা হয়। ভোটার না জনসংখ্যা কিসের ভিত্তিতে তা করা হলো, তা পরিস্কার নয়। পুননির্ধারণের ফলে এ আসনটি উত্তর দক্ষিণে ৯০ কিলোমিটার বিস্তৃত হয়েছে, আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমাদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।’

নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, ‘আমরা সাংগঠনিকভাবে নিজেদের মধ্যে বসে আলোচনা করে তারপর প্রতিক্রিয়া জানাবো।’
এ বিষয়ে সদর দক্ষিণের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সদর দক্ষিণ উপজেলাকে এক করায় আমি নির্বাচন কমিশনকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি নাঙ্গলকোট উপজেলাকেও অখণ্ড রাখা হয়েছে। এ দুটি উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১০ নির্বাচনী এলাকা পুননির্ধারণ করায় দুই উপজেলাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়েছে। আমি নিজেও মর্মাহত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তর আসনে পরিণত হয়েছে ভৌগলিক সীমানা ও ভোটারের সংখ্যা অনুপাতে ‘

তিনি বলেন, ‘সদর দক্ষিণ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা নিয়ে পৃথক নির্বাচনী এলাকা প্রতিষ্ঠায় আমাদের আন্দোলন চলছে এবং চলবে।’

 

কুমিল্লার খবর.কম, ০৬-০৭-১৩

 

Comments

comments