আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবী

বাড়ি বাড়ি গিয়ে এজেন্টদের হুমকী ধমকী , স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের ক্যাডাররা প্রকাশ্য অস্ত্র উচিয়ে ভোটারদের ভয় ভীতি প্রদর্শন, নৌকায় ভোট না দিলে বিজিএফ কার্ডসহ অন্যান্য কার্ড বন্ধ কে দেয়ার হুমকী ও ধানের শীষ প্রতীকের উঠান বৈঠকে হামলায় ১৫/২০ জনকে মারাত্মক আহত ও বাড়ি ঘরে ভাংচুর করে নির্বাচনের আগেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে বলে অভিযোগ করেছে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কাইয়ূম।

এ সব বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে মৌখিক এবং লিখিত ভাবে জানালেও তারা কার্যকর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাই নির্বাচনকে সুষ্টু করার স্বার্থে র‌্যাব ,বিজিবির পাশাপাশি সেনা মোতায়েনের দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলার ৫৬টি কেন্দ্রই এখন অধীক ঝুকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে।

৪ মার্চ শনিবার বিকালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নির্বাচনের সুষ্টু পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থে তিনি ১১ দফা দাবী পেশ করেন। উল্লেখ্য, আগামী ৬ মার্চ কুমিল্লা সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সাংবদিক সম্মেলনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী রেজাউল কাইয়ূম আরো বলেন, শুক্রবার রাতে কালিরবাজার ইউপির চেয়ারম্যান সেকান্দার মন্ডল, স্থানীয় সন্ত্রাসী আলমগীর কন্ট্রাক্টর, যুবলীগ ক্যাডার শাহিন, মাসুম বিল্লাল, ফরহাদ, মিরাজসহ সন্ত্রাসীরা আমার উঠান বৈঠকে হামিরা চালিয়ে নেতাকর্মীদেরক মেরে১৫/২০ কে আহত করে।

একই রাতে আমার প্রধান নির্বাচনী এজেন্টও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক সফিউল আলম রায়হানের বাসায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী টুটুলের ভাইয়ের নেতৃত্বে ব্যাপক হামলা চালিয়েে ভাংচুর করে।উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের কোথায়ও আমাদের শেষ মুহুর্তে প্রচার প্রচারণা চালাতে দিচেছ না।

নিয়োগকৃত এজেন্টদের কেও জীবনে মেরে ফেলার হুমকী দিচ্ছে। এ সকল বিষয়ে প্রশাসন ও নির্বাচনকে কমিশনকে জানালেও তারা কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিচেছ না।

তিনি বলেন, প্রথমে আমরা ৪৬টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিঠি দিলেও এখন দেখছি ৫৬টি কেন্দ্রের সব গুলিই ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি, প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, মোতায়েন করতে বলেন এবং সেনাবাহিনীর টহল দাবী কে বলেন, ব্যালট পেপার নির্বাচনের দিন সকাল পর্যন্ত ম্যাজিষ্ট্রেট এর আওতায় রাখতে হবে এবং সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ ১১ দফা দাবী জানান।

আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড. আলী আক্কাছের সভাপতিত্বে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হাজী ফজলুল হক ফজলু , সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম , বিএনপি নেতা আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক সফিউল আলম রায়হান, জেলা ি বএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক সারোয়ার জাহান দোলন, মহিলা দল নেত্রী হেলানা আলঅউদ্দিন প্রমুখ।

বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসান বলেন, নির্বাচিন কমিশন থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমি তা থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি। কিন্ত তারা তো পরে আর কেউ মামলা করতে আসে নি। আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুহা. সরওয়ার হোসেন বলেন, বিএনপি থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমি পুলিশকে জানিয়েছি। এর বেশী রিটার্নিং অফিসার স্যার বলতে পারবে।

Comments

comments