কচুয়ায় শিক্ষিকার উপর পালাক্রমে উৎপীড়নের অভিযোগ

RAPEকচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সেঙ্গুঁয়া গ্রামের জাহানারা কিন্ডার গার্টেন এর সহকারী শিক্ষিকা ছদ্মনাম ‘ম’ কে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৯ অক্টোবর রবিবার কচুয়া রিডো মাল্টিপারপাসের ম্যানেজার নেত্রকোনা জেলার সদর থানার বলনীয়া গ্রামের মো: জসীম উদ্দীনের ছেলে মো: শফিকুল ইসলাম, কচুয়া উপজেলার সেঙ্গুঁয়া গ্রামের মো: জামাল হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন, মৃত মো: কফিল উদ্দিনের ছেলে মো: শফিক মিয়া পালাক্রমে ধর্ষনের ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করা হয়। এই ঘটনা এলাকাবাসী জানতে পেরে মাল্টিপারপাস অফিসে হামলা চালায়।

স্থানিয় ইউপি মেম্বার রফিক মিয়ার ভাই ধর্ষক শফিক মিয়া। বিষয়টি অবগত হয়ে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তে উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে ধর্ষককে নিজের হেফাজতে নিয়ে যায়।

পরদিন সকাল বেলা রফিক মিয়ার কাছে স্থানিয় লোকজন ও ধর্ষকের পরিবার বিচার প্রার্থী হলে মেম্বার তার সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপস্থিত জনতার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। মেম্বারসহ তার ভাই, এলাকার রাজ্জাক এবং জমিরের হামলায় মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ সুমন, মোঃ সোহেল আহম্মদ সহ প্রায় ২০ জন আহত হয়।

আহত আক্তার হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনার সত্যতা পেয়ে কচুয়া থানার এস.আই মোঃ ছাদেকুর রহমান সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। থানার অভিযোগ পত্র থেকে জানা গেছে, অফিসের জরুরী কাজের কথা বলে স্কুল কক্ষে আটক করে রবিবার রাত অনুমান ৮ টা হইতে রাত ১২ টা পর্যন্ত পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

তার ডাক চিৎকার করলে পথচারীগণ কান্নাকাটির শব্দ শুনে। একই গ্রামের ইব্রাহীম ও খলিল স্কুল কক্ষের জানালা দিয়ে লাইট মেরে ধর্ষনকারী ও ধর্ষিতাকে দেখতে পেয়ে লোকজনকে ডেকে আনে। লোকজন স্কুল কক্ষের দরজা জানালা খোলার জন্য বললে তারা দরজা না খোলায় স্কুল কর্র্তৃপক্ষকে খবর দেয়া হয়।

এরপর জাহানারা কিন্ডার গার্টেনের সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন এসে রিডো সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতির ম্যানেজারকে দরজা খোলার জন্য বললে ম্যানেজার দরজা খুলে দেয়। কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো: আলমগীর মজুমদার বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Comments

comments